এই গরমে এসি ছাড়াই ঘর ঠাণ্ডা রাখার দারুণ কিছু পদ্ধতি জেনে নিন

0

মাত্র তো গরমের শুরু ৷ এখনও মে ও জুন মাস বাকি ৷ তাপ আর বাড়বে৷ ভয়ঙ্কর গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে তখন এসি তো চাই-ই চাই ৷ এসি গরমের আরাম দেয়ার জন্য ঘরে বা অফিসে লাগিয়ে থাকেন। তবে এসি তো আর সবার বাড়িতে নেই। থাকলেও সবাই ঘরে এসি রাখেন না। অনেকের আবার এসির মধ্যে দিনভর থাকতে পারেন না অথবা থাকলেও বেশ সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু ইলেকট্রিক বিল ! সেটার কী হবে? সব থেকে মাথায় হাত ৷ মাথা থেকে হাত বরং নামিয়ে নিন ৷ জটপট পড়ে ফেলুন, এমন কিছু দাওয়াই, যাতে আপনার ঘর এসি ছাড়াই থাকবে কুল কুল !

১) ঘরে যদি কাচের জানলা থাকে, তাহলে মোটা পর্দা দিন ৷ পর্দাটা যেন গাঢ় রঙের হয় ৷ গরম কালে হালকা রঙের পর্দা একদম নয় ৷

২) বাজার থেকে খসের পর্দা কিনে নিয়ে আসুন ৷ জানলায় লাগিয়ে দিন ৷ মাঝে মধ্যেই পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিন ৷

৩) ঘর মোছার সময়, পানির মধ্যে কিছুটা পরিমাণ নুন ঢেলে দিন ৷ নুন পানি ঘরের তাপমাত্রা সঠিক থাকবে ৷

৪) ঘরে ভেন্টিলেটর থাকলে, ভালো করে পরিষ্কার করুন ৷

৫) প্রয়োজন ছাড়া ঘরের আলো জ্বালাবেন না ৷ ঘরে বাল্বের বদলে টিউব লাইট ব্যবহার করুন৷

৬) বাজার থেকে খসখস কিনে আনুন ৷ জানলায় লাগিয়ে নিন ৷ মাঝে মধ্যে পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিন খস ৷

Vision

৭) গরমের সময়ে ওভারহেড ট্যাঙ্কে বেশি পানি রাখবেন না। কারণ পানি তাড়াতাড়ি গরম হয়ে আগুনের মতো হয়ে যায়। গরম পানির ভাপ সব সময়েই বেশি। তাই সেই পানি যখন ব্যবহার করবেন তার গরম বাষ্প ঘরও গরম করে তুলবে। তাই প্রয়োজন মতো অল্প অল্প পানি তুলে ব্যবহার করুন। এতে পানিটাও ঠাণ্ডা পাওয়া যাবে।
৮) সূর্যাস্তের পরে ঘরের জানালা-দরজা খুলে দিন। ঠাণ্ডা বাতাসে ঘরের গুমোট হাওয়া দূর করে। অতি পরিচিত ঘর ঠাণ্ডা করার পদ্ধতি। কিন্তু নিয়ম করে করা হয়ে ওঠে না অনেক সময়।
৯) বাড়ির পাশে পতিত জমি থাকলে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে বড় গাছ লাগান। এতে সারাদিন বাড়িতে রোদ পড়ার হাত থেকে বাঁচবেন। ঘরও অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা থাকবে।
১০) বেশ কিছু ইনডোর প্লান্ট রয়েছে, যা বাড়ির মধ্যে রাখলে ঘর ঠাণ্ডা থাকে। যেমন অ্যালোভেরা, বস্টন ফার্ন, স্নেক প্লান্ট, উইপিং ফিগ, অ্যারিকা পাম ইত্যাদি। ঘরের বাতাসকেও শুদ্ধ করে এই গাছগুলি।
১১) বাড়ির মধ্যে কয়েকটি জায়গায় বড় মাটির মালসায় করে পানি রাখুন ও তাতে কয়েকটি সুগন্ধি ফুল ফেলে দিন। দিনে দু’তিনবার পানি পরিবর্তন করে নিন। ঠাণ্ডা পানির বাষ্পে ঘর ঠাণ্ডা থাকবে। ভ্যাপসা গন্ধও হবে না।
১২) তুলার বালিশের পরিবর্তে বাজরার বালিশ ব্যবহার করুন গরমকালে। তুলার বালিশ খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়।
১৩) সন্ধেবেলা ছাড়াও দুপুরের আগে আর একবার ঘরের সব দরজা-জানালা খুলে হাওয়া খেলতে দিন। মুখোমুখি জানলা খুলে দিলে সবচেয়ে ভাল। ঘরের গুমোট খুব ভাল দূর হয়।

১৪) ঘরের মধ্যে গাছ রাখুন ৷ দেখবেন ফ্রেশ ফিল করবেন ৷

নোটঃ খবরটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন এবং আমাদের ফেসবুক পেইজ আমার সকাল এ লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। আপনার মন্তব্য লিখুন

SHARE.করুন

ASUS-Jago-bd-gif

Share.

About Author

Leave A Reply

Powered by themekiller.com